1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
ধানের ন্যায্যমূল্যে খুশি লালমনিরহাটের কৃষকরা - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

ধানের ন্যায্যমূল্যে খুশি লালমনিরহাটের কৃষকরা

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৭০ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি লালমনিরহাট:

উত্তরের সীমান্তবর্তী এ জেলা প্রধানত কৃষিনির্ভর। এ বছর ধানের বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন কৃষকরা। তবে গতবছরের তুলনায় এ বছর ধানের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। ধানের ন্যায্যমূল্য পেয়ে খুশি জেলার কৃষকরা। নিজেদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত ধান বেশি দাম পাচ্ছেন কৃষকরা।

এ বছর প্রতি বিঘা (৩৩ শতাংশ) জমিতে ধানের উৎপাদন খরচ প্রায় সাড়ে ৮ হাজার টাকা। সেই সাথে প্রতি বিঘা জমিতে ধান উৎপাদন হয়েছে প্রায় ১৮ থেকে ২১ মন পর্যন্ত। এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কৃষকরা।

গত মৌসুমে এই সময়ে প্রতি মণ ধান বিক্রি হয়েছিলো ৯২০ টাকা থেকে ১১৫০ টাকা পর্যন্ত। কিন্তু এ বছর তা বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩৪০ টাকা পর্যন্ত। তবে ধানের দাম আরও বাড়বে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন কৃষকরা।

জেলার সদরের বড়বাড়ী ইউনিয়নের কৃষক জাহিদ হাসান (৪০) বলেন, এবার ফলন আশানুরূপ ভালোই হয়েছে। পোকা-মাকড়ের সমস্যা তেমন ছিল না। ২ একর অর্থাৎ (২০০ শতাংশ) জমি থেকে ১২২ মণ ধান পেয়েছি। খরচ হয়েছে প্রায় ৬৫ হাজার টাকা। তিনি আরো বলেন, ধান গোলায় তোলার পর অবশিষ্ট বাকি ধান আজকে বড়বাড়ী বাজারে বিক্রি করলাম। বাজারে ২০ মণ ধান নিয়ে এসেছি।

প্রতি মণ ধান বিক্রি হলো ১হাজার ৩০০ টাকা দরে। ২০ মণ ধান বিক্রি হয়েছে ২৬ হাজার টাকায়। বর্তমানে ধানের বাজারদরে খুশি আমি।

বড়বাড়ি বাজারের ধানের পাইকার ব্যবসায়ী ফারুক মিয়া (৪৮) বলেন, বাজারে এখনো পুরোদমে ধান আসেনি । খুব কম কৃষকই ধান হাটে এনে বিক্রি করছেন। অধিকাংশ কৃষক বাড়ি থেকে ধান বিক্রি করছেন। ধানের পাইকাররাও কৃষকের বাড়িতে গিয়ে ন্যায্য মূল্যে ধান কিনছেন। বর্তমানে আমরা প্রতি মণ ধান ১ হাজার ২৯০ টাকা থেকে ১ হাজার ৩৪০ টাকা দরে কিনছি। হাটে ধানের তেমন সরবরাহ নেই। তবে ধানের দাম কমার সম্ভাবনাও তেমন নেই।

পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের কৃষক হাবিবুর রহমান (৩৯) বলেন, গত বছর থেকে ধান চাষে করে কিছুটা লাভবান হচ্ছি। ধানের বর্তমান বাজারদর অব্যাহত থাকলে আমাদের মত কৃষকেরা ধান চাষে আরও বেশি উৎসাহিত হবে। তিনি বলেন, ধানের পাশাপাশি বর্তমানে বাজারে খড়ের চাহিদাও প্রচুর। আমার ৩ বিঘা জমি থেকে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ ধানের আটি খড় পেয়েছি। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৩ হাজার ৪০০ টাকার বেশি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. সাইফুল আরিফিন বলেন, এ বছর বাজারে ধানের দাম ভালই । বর্তমানে যে ধানের বাজারদর তা কৃষকদের জন্য অনেক লাভজনক। তবে সারের দাম সরকারিভাবে কিছুটা বেড়েছে। তাছাড়াও এবার অনাবৃষ্টির কারণে আমন চাষে কৃষকদের সেচের পানির জন্য বাড়তি খরচ করতে হয়েছে। এবার কৃষকদের ধানের ফলন আশানুরূপ হয়েছে। কৃষকেরা আশানুরূপ দরে ধানও বিক্রি করতে পারছেন। এ বছর প্রতি বিঘা জমিতে ধান চাষ করে কৃষকরা প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার বেশি লাভ করতে পারছেন বলে জানান তিনি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park