1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
দাম কম হলেও পাঙাস মাছ অবহেলা নয় - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

দাম কম হলেও পাঙাস মাছ অবহেলা নয়

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১১৪ বার পঠিত

নাহিদা আহমেদ, পুষ্টিবিদ

মাছ ছাড়া বাঙালির চলে না। দামের কারণে অনেকেরই ইলিশ–রুই-কাতলা খুব একটা পাতে তোলা হয়ে ওঠে না। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত অনেক পরিবারের ভরসা তাই পাঙাশ। কম দাম হওয়ার কারণে অনেকেই মনে করেন যে পাঙাশ মাছে তেমন কোনো পুষ্টি উপাদান নেই। তাই এই মাছ খেলে তেমন কোনো উপকারিতাও পাওয়া যাবে না। কিন্তু অনেকেই জানেন না, ১০০ গ্রাম কাঁটা ছাড়া পাঙাশ মাছে আছে ৬৭৬ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি, ১৫ গ্রাম আমিষ, ১১ গ্রাম ফ্যাট, ১৪ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২৯ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম, ১৩০ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ১ দশমিক ৮৫ মিলিগ্রাম জিংকসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান।

পাঙাশ মাছের উপকারিতা

১. পাঙাশ মাছ ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের ভালো উৎস হওয়ার কারণে দেহে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের ঘাটতি পূরণ করে দাঁত ও হাড়ের গঠন মজবুত রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. পাঙাশ মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি আসিড ইপিএ ও ডিএইচএ পাওয়া যায়। এসব উপাদান স্মৃতিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে, স্মরণশক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় ঠিক রাখতেও এগুলো কার্যকর।

৩. মাছের ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তনালির স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়, যা অস্টিওপোরোসিস ও এথেরোস্ক্লেরোসিসের বিকাশকে প্রতিহত করে।

৪. খনিজ উপাদানগুলো মস্তিষ্কের কার্যকলাপ স্বাভাবিক করে। স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।

৫. এ ছাড়া পাঙাশ মাছে থাকা জৈব অ্যাসিড দৃষ্টিশক্তি শক্তিশালী করতে, নখের ভঙ্গুরতা দূর করতে এবং চুল পড়া রোধে সাহায্য করে। অ্যান্টি–অক্সিডেন্টগুলো ফ্রি র‍্যাডিকেলকে প্রতিহত করে প্রাথমিক টিস্যু ও কোষের বার্ধক্য প্রতিরোধ করে।

৬. আমিষে ২০ ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে, এর মধ্যে কিছু অত্যাবশ্যকীয়। খাবারে কোন অ্যামাইনো অ্যাসিড কতটুকু আছে, তার ওপর নির্ভর করে আমিষের গুণমান। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বাঙালিরা যেসব মাছ খেয়ে থাকে, তার মধ্যে পাঙাশ মাছে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড বেশি পাওয়া যায়। এরপর তেলাপিয়া ও রুই মাছ। এক গ্রাম আমিষে ২৭৭ মিলিগ্রাম অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকা উচিত। সেখানে পাঙাশে আছে ৪৩০ মিলিগ্রাম। তাই পাঙাশ মাছ গ্রহণ করার মাধ্যমে দেহে আমিষের চাহিদা অনেকাংশেই পূরণ করা সম্ভব।

সাবধানতা

বেশির ভাগ পাঙাশ মাছ এখন কৃত্রিমভাবে পুকুরে চাষ করা হয়। চাষের সময় যে খাবার দেওয়া হয়, সেগুলোর কারণে পাঙাশ মাছ ক্ষতিকর হতে পারে। পাঙাশ মাছ সংরক্ষণের জন্য প্রচুর প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়। কীটনাশক বা রাসায়নিক যেসব পদার্থ ব্যবহার করা হয়, তা দেহের জন্য ক্ষতিকর। তাই তাজা মাছের বদলে সংরক্ষিত পাঙাশ মাছ গ্রহণের ফলে দেখা দিতে পারে শারীরিক জটিলতা।

আবার পাঙাশ মাছে যেহেতু অতিরিক্ত তেল থাকে, সে জন্য অতিরিক্ত গ্রহণে রক্তে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে বা দেখা দিতে পারে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা।

রান্নার পদ্ধতি স্বাস্থ্যসম্মত না হলে এই মাছ গ্রহণের ফলে শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park