1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
থাই অগ্নিস্বর কচু কাঁচাও খাওয়া যায়! - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

থাই অগ্নিস্বর কচু কাঁচাও খাওয়া যায়!

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২০২ বার পঠিত

খুলনা জেলা প্রতিনিধি:
কচুর নাম শুনলেই অনেকের নাক শিটকায় হাত ও গাল চুলকানোর ভয়ে। অথচ সেই কচু দিব্বি কাঁচাও খাওয়া যায়। কচু চিবিয়ে খাচ্ছেন খুলনার কৃষক নিউটন মণ্ডল। এমনই এক কচু চাষ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি।

নিজের ঘেরের পাড়ে উঁচু স্থানে থাই অগ্নিস্বর নামে এই কচু চাষ করছেন নিউটন। তার এলাকার সবার মাঝে কচুটি সাড়া ফেলেছে। তার দেখাদেখি অনেকেই শুরু করেছেন এই চাষ। রান্নায় এ কচুর স্বাদ অনেক বেশি।

কচু চাষ করে খ্যাতি পাওয়া নিউটন শুধু থাই অগ্নিস্বর কচু চাষ করছেন তাই নয়, এর চারা প্রস্তুত করে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে তার
নিউটন জানান, দুই বছর আগে কৃষি বিভাগের সহায়তায় ডুমুরিয়া উপজেলার ঘোনা মাদারডাঙ্গা এলাকায় ঘের ও সবজির ক্ষেতের পাড়ে থাই অগ্নিস্বর কচু চাষ শুরু করেন নিউটন। এটি উচ্চমূল্যের কচু। এই কচু উঁচু ও শুষ্ক জায়গায় লাগাতে হয়। গাছের নিচে বা ছায়া জায়গাতেও লাগানো যায়। লাইন থেকে লাইন ২ হাত কচুটি লাগাতে হবে। কচু লাগানোর সময় জৈব সার দিতে হয়। থাই অগ্নিস্বর কচু এক বছরের নিচে হার্বেস্ট করা যায় না। দেড় বছর পর্যন্ত রাখলে ২০ কেজি পর্যন্ত কচুর মূল পাওয়া যায়। কচুটি ১২ মাসই লাগানো যায়। পানি নেই এমন জায়গাতে লাগাতে হয়। ঘেরে পাড় ও পরিত্যক্ত জায়গা, ঘরের আঙিনায় এই কচু লাগানো যায়।

কচুটি কাঁচা চিবিয়ে খাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় স্থানীয় চাষি দশোরত মণ্ডল বলেন, কচু ধরলে বা কাটলে হাত চুলকায়। সেখানে থাই অগ্নিস্বর কচু কাঁচাই খাওয়া যায়। কোনো দিন কাঁচা কচু খাইনি। তবে এ কচু খাইতে খুব স্বাদ লাগলো।

কৃষক নিউটন মণ্ডল বলেন, এই কচুর গোড়া, বাকল ও পাতা খেলে গাল চুলকায় না। কাঁচা খেতে মিষ্টি আলু, শাক আলু, আনারস, কলার থোর, নারকেল ও খেজুরের মাথির মতো লাগে। এর ভেতরের কালার একেবারে ক্রিমের মতো হালকা হলুদ। তবে এটি কাঁচা খাওয়ার জন্য নয়। গরু, খাসি, মুরগি বা হাঁসের মাংসের তরকারিতে এই কচুর স্বাদ অতুলনীয়। শুধু মাংস নয়, মাছ কিংবা শুধু কচুটি রান্না করলেও খেতে দারুণ লাগে। এই কচুর এতোই স্বাদ যে একবার যে খাবেন তিনি আবারও খুঁজবেন।

তিনি বলেন, আমি শুরুতে ৬০০ চারা লাগাই। ২০টির মতো কচু বিক্রি করেছিলাম। বাকিগুলো কেটে কেটে চারা তৈরি করেছি।

নিউটন বলেন, এই কচুর চারার কদর অনেক। দেশে এই চারার চাহিদা মেটানোর মতো কোনো লোক নেই। অনেকেই আমার কাছ থেকে কচুটির চারা নিচ্ছে। প্রতি পিস চারা ৫০ টাকা করে বিক্রি করছি। এখন পর্যন্ত ৩ হাজার চারা বিক্রি করেছি। চারা যদি টিস্যূকালচার পদ্ধতিতে করতে পারতাম, তাহলে খরচ কম পড়তো। এই কচুর চারা তৈরি করা খুব কঠিন। চারা তৈরি করলে কচু বিক্রি করা যায় না। আমি এই কচুর গোড়া ২০ কেজি পর্যন্ত বড় করেছি। খেতে দারুণ সুস্বাদু। তাই চাহিদা ভালো। এ জন্য চারা তৈরি করছি। আমার কাছে ৫০০ গাছ এবং ৩ হাজার চারা আছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park