1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
তীব্র তাপপ্রবাহও দমাতে পারেনি চিড়িয়াখানা দর্শন - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

তীব্র তাপপ্রবাহও দমাতে পারেনি চিড়িয়াখানা দর্শন

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫
  • ১২৬ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক:

ঈদুল আজহার ছুটি আর মাত্র এক দিন। ঢাকার আশপাশের জায়গা থেকে পরিবার ও পরিজন নিয়ে আসছেন জাতীয় চিড়িয়াখানা। নানা  বয়সের সঙ্গে শিশুদের উপস্থিতিই বেশি। ঘুরে ঘুরে পশু-পাখি দেখছেন যে যার মতো।

ঈদের ৭ম দিন শুক্রবারেও (১৩ জুন) রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানায় মানুষের ভিড় দেখা যায়।

বাঘের খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে স্নিগ্ধা (৭)। বাবা মা ও দাদা দাদীকে নিয়ে এসেছেন ঢাকার কেরানীগঞ্চ থেকে। বলছিল বিভিন্ন প্রাণি দেখার অভিজ্ঞতার কথা । সে বলে, বাঘ দেখেছি, সিংহ দেখেছি, বানর দেখেছি। বাঘ, সিংহ খাচাঁয় ঘুমিয়েছিল। জিরাফ দাঁড়িয়ে খাবার খেয়েছে। খুব মজা লাগেছে।

ঈদের দীর্ঘ ছুটিকে উপভোগ্য করে তুলতে অনেক মানুষ চিড়িয়াখানায় এসেছেন। তীব্র রোদ, গেটের সামনে হকারদের জটলা পেরিয়ে দর্শনার্থীরা কেউ এসেছেন পরিবারের সঙ্গে, কেউ বা বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে। গাছের ছায়ায় ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণি ও পাখি দেখছেন তারা।

দর্শনার্থীদের কেউ ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন প্রাণির ছবি, ভিডিও তুলছেন। কেউ আবার স্মৃতি সংরক্ষণ করতে নিজের ভিডিও করছেন।

দুপুরের পর থেকেই চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে। গাছ আর লেকের ছায়ায় বিশ্রাম নিতে দেখা যায় অনেককেই।

হরিণ, কুমির, জিরাফ, বাঘ ও সিংহের খাঁচার সামনে বেশি ভিড় দেখা যায়। চিড়িয়াখানায় এসে সামনাসামনি বিভিন্ন প্রাণি দেখে উচ্ছ্বসিত শিশুরাও।

দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধায় নানান পদক্ষেপের কথা জানান জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক মো. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার। তিনি বলেন, দর্শনার্থীরা যাতে সুন্দরভাবে ও নিরাপদে চিড়িয়াখানা পরিদর্শন করতে পারেন সেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের নিরাপত্তাকর্মীর পাশাপাশি পুলিশ রয়েছে। দর্শনার্থীরা ১৮ টি ছাউনির নিচে বিশ্রাম নিতে পারছেন। পর্যাপ্ত সুপেয় পানির ব্যবস্থা রয়েছে তাদের জন্য।

১২৩ একরের বেশি জায়গা জুড়ে জাতীয় চিড়িয়াখানার অবস্থান। মূল ফটক দিয়ে প্রবেশের পরে প্রথমেই বানরের খাঁচা। রেসার্সসহ কয়েক প্রজাতির বানর রয়েছে সেখানে। বাম দিকে পাখির খাঁচা। বক, গ্রেটার ফ্লেমিঙ্গো, পেলিকানসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি রয়েছে সেই খাঁচায়। তার পেছেনে সজারু, ভাল্লুকের খাঁচা। এরপর কিছুটা এগোলেই বাঘ-সিংহের খাঁচা। শিশুদের অনেককেই বাঘ, সিংহের খাঁচার সামনে বাঘ মামা, সিংহ মামা বলে চিৎকার করতে শোনা যায়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park