1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশকে সহায়তা দেবে এফএও - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশকে সহায়তা দেবে এফএও

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৮১ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ ডেস্ক:
গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ শিল্পের উন্নয়ন এবং কৃষিজাত পণ্য-বিশেষ করে ফল রপ্তানি বাড়াতে অব্যাহত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) মহাপরিচালক ড. কু দোংইউ।

সোমবার (রোম সময়) রোমে এফএও সদর দপ্তরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে এ আশ্বাস দেন তিনি।

বৈঠকের শুরুতে ড. কু দোংইউ অধ্যাপক ইউনূসকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং বাংলাদেশের কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে তার ব্যাপক অবদানের প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশকে ‘উচ্চ সাফল্য অর্জনকারী দেশ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, এফএও প্রযুক্তিগত সহায়তা, উদ্ভাবন এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ ও ত্রিমুখী সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

অধ্যাপক ইউনূস এফএও’র দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ তিনটি নতুন ক্ষেত্রে সহায়তা প্রত্যাশা করছে—গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে সক্ষমতা বৃদ্ধি, ফল রপ্তানি সম্প্রসারণে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং ফসল সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা জোরদার করা, যার মধ্যে সাশ্রয়ী কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনও রয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের পুরো সমুদ্র আছে, কিন্তু আমরা মাছ ধরি অগভীর জলে। আমরা কখনোই আমাদের সামুদ্রিক সম্পদ যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারিনি। বিদেশি ট্রলারগুলো আমাদের জলসীমায় মাছ ধরে, অথচ আমরা প্রস্তুত নই।

এ জবাবে এফএও মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশ চাইলে চীনের বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানিয়ে গভীর সমুদ্রের মাছের মজুদ নিরূপণ ও টেকসই আহরণ কৌশল প্রণয়নে সহায়তা নিতে পারে।

ফল রপ্তানির সম্ভাবনার বিষয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, চীন ইতোমধ্যে বাংলাদেশের আম, কাঁঠাল ও পেয়ারা আমদানিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। তিনি ছোট কৃষকদের জন্য মোবাইল কোল্ড স্টোরেজের ডিজাইন ও কার্যকর বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।

ড. কু দোংইউ বলেন, উচ্চমূল্যের ফল উৎপাদন কৃষি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৮০-এর দশকে জাপানে ফল রপ্তানি করে চীন কৃষি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছিল।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park