কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক:
কৃষকের সার্বজনিন ব্যবহারসহ সম্মান দেয়ার জন্যই কৃষককার্ড প্রবর্তন করা হয়েছে। প্রি পাইলটিংযে আওতায় আসছে ২০,৬৭১ কৃষক পরিবার। এতে খরচ হবে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।
রোববার তথ্য অধিদফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
তিনি বলেন, দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষিদের বছরে ২৫০০ টাকা প্রনোদনাসহ ১০ সুবিধা নিশ্চিত করতে টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের আদলে সারাদেশে চালু হতে যাচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ১১টি উপজেলায় প্রি পাইলটিং কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী কাল পহেলা বৈশাখ সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল সদরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করবেন।
একই সাথে দেশের ১১টি উপজেলায় (শিবগঞ্জ, রাজবাড়ী, পঞ্চগড় সদর ও বোদা, ইসলামপুর, শৈলকুপা, নেছারাবাদ, জুড়ী, কুমিল্লা আদর্শ সদর, গোয়ালন্দ ও টেকনাফ) ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, তিনটি পর্যায়ে এ কার্ড দেয়া হবে। এগুরো হলো ভুমিহীন, প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র কৃষক, রাখা হচ্ছে লবনচাষীদেরও। সরকার ২২ হাজার৬৫ জনকে বাছাই করা হলেও ২০ হাজার ৬৭১ পরিবার এ কৃষি কার্ডের আওতায় আসছে।
কৃষি মন্ত্রনালয় সূত্রে জানাগেছে। এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘পার্টনার প্রকল্প—প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্কাজ করছে।
সূত্র আরো জানায়, প্রাক-পাইলট ও পাইলট পর্ব সফল হলে আগামী ৪ বছরের মধ্যে দেশব্যাপী এই কার্ডের মাধ্যমে ডিজিটাল কৃষি সেবা চালু করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকের পরিচয় ডিজিটাল করা হবে, যা ফ্যামিলি কার্ডের মতো কাজ করবে। মাছ চাষী, পশুপালক ও দুগ্ধ খামারি, লবনচাষীদের অন্ত্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনে পান চাষীদেরও এই কার্ড দেওয়া হবে।